সহজেই মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয়

0
124

বর্তমান সময়ে আমরা কমবেশি সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি তাই আজকের টপিক মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করবেন।

ছাইট তৈরির জন্য প্লান

আমি বলবো একটি ছাইট তৈরি করার পূর্বে ভালোভাবে প্লান পরিকল্পনা করে নেওয়া উচিত। যে আমি কোন নিস রিলেটেড ছাইট বানাবো। আমার নিসের কম্পিটিশন কেমন আমার ছাইট র‍্যাংক করবে কিনা। আমি র‍্যাংক করতে পারবো কিনা, কি ধরনের ডিজাইন করবো। কিভাবে কন্টেন্ট লিখবো এ ধরনের প্রচুর চিন্তা ভাবনা ও রিসার্চ করতে হবে। আপনি কোন চিন্তা ভাবনা না করে হুটহাট করে ছাইট বানালেন তাহলে কোনো কাজে আসবে না। আর যদি প্রচুর চিন্তা ভাবনা করে ছাইট বানান তাহলে খুব দ্রুতই র‍্যাংক করবে। একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন সময় নিয়ে প্লান সাজিয়ে একটা কাজে হাত দিবেন সেটাতে দুই দিন আগে বা পড়ে সাকসেস আসবেই। একটা ছাইট তো আর একদিনের জন্য বানাচ্ছেন না অবশ্যই লাইফ টাইমের জন্যই বানাবেন। তাহলে তো চিন্তা ভাবনা করেই বানাতে হবে।শুরু থেকেই প্রফেশনাল হতে হবে আপনার ছাইট দেখেই যেন মানুষ বুজতে পারে আপনি একজন জিনিয়াস তাহলে ছাইটের দামও থাকবে অন্য রকম। ভিজিটর ও দিন দিন বারবে। ভিজিটর বাড়া মানেই আপনার আয় বাড়া।আবার উল্টা পাল্টা করা যাবে না আজ এক রকম ডিজাইন কাল অন্য রকম আজ এক ধরনের পোস্ট কাল অন্য ধরনের। তাহলে নির্চিত ভিজিটর হারাবেন। আর নিওমিত একজন ভিজিটর যদি আপনার ছাইটে ভিজিট করা বাদ দেয় তাহলে কিন্তু আপনার জন্য বিশাল ক্ষতি। অনেক দিকে চিন্তা ভাবনা করে মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার কথা ভাববেন। আমার একটা কথা শেয়ার করি তখন ছিলো ২০১৪ সাল সেই সময় এস ই ও অতটা বুজতাম না একটা ছাইট বানাইয়া ফালাইলাম ভাবলাম ভালোই কিছু ইনকাম করা যাবে এই ছাইট দিয়ে। দেখতে দেখতে ছাইটের বয়স এক বছর পার হয়ে গেলো কিন্তু ইনকাম ০.০০। বললাম আমাকে দিয়ে আর হবে না। কিছুদিন পড় আবার একটি ছাইট বানাইলাম সেটাও সেম। সেটার আরেকটা সমস্যা ছিলো হোস্টিং এ ভালো মানের হোস্টিং ছিলো না। সব বাদ দিয়া দিলাম কিছুদিন অনেক রিসার্চ করলাম তারপর একটা ছাইট বানাইলাম সেটা থেকে ভালোই ইনকাম আসতে থাকলো। তারপর ভালো একটা দাম পাইলাম দিলাম সেল করে। কথাটা যদিও বলার প্রয়োজন ছিলো না শুধু বললাম একটু চিন্তা ভাবনা করে ছাইট বানাবেন।

কিভাবে প্লান সাজাবেন

১। প্রথমে প্রচুর পরিমান গুগল করবেন বিভিন্ন প্রকার ছাইট দেখবেন। সেগুলার পি এ ডিয়ে ভিজিটর দেখবেন।
২। জেগুলা ছাইট ভালো লাগে সেগুলা লিস্ট করবেন।
৩। ছাইট গুলার কিওয়ার্ড খুজে বের করবেন ইজি এবং নতুন কিওয়ার্ড গুলি আলাদা করে রাখবেন পড়ে কাজে দিবে।
৪। জেগুলা ইজি কিওয়ার্ড মনে হয় সেগুলা নিয়ে ঐ ছাইট গুলার চেয়ে ভালো আরটিকেল লিখবেন বা রাইটার দিয়ে লেখাবেন।
৫। আপনার কিওয়ার্ড নিস রিলেটেড ভালো মানের একটি ব্যন্ডেবল ডোমেইন নিবেন।
এর পর আস্তে আস্তে শুরু করে দিবেন ছাইট তৈরির কাজ। আর হ্যা কখনো এক সাথে অনেক সময় কাজ করবেন না এতে অনেক ক্ষতি। শারীরিক থেকে শুরু করে মানশিক শহ কাজের ও মান নষ্ট হয়।লং টাইম কাজ করলে সেই কাজের মান কখনো ভালো হয় না তবে এটা আমার খেত্রে সবার হয় কিনা জানিনা।তাই বলছি কাজের পাশাপাশি একটু খেলাদুলা বিনোদন বা ঘোরাঘুরি করার ও অনেক দরকার।এতে মনমানসিকতা অনেক ভালো থাকে কজের গতিও বেড়ে যায়।তারাহুরো না করে ছাইট তৈরির কাজ শুরু করে দিন।

ওয়েবসাইট তৈরির জন্য জা জা জ্ঞান থাকা জরুরী

১। আরটিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং। এই বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে নিজে কখনো লিখতে যাবেন না তাহলে সময় টুকু লস। সব সময় দক্ষ রাইটার দারা ছাইটের জন্য রাইটিং করানোর চেষ্টা করবে। ইংরেজি তে একটা কথা আছে কন্টেন্ট ইজ কিং। ভালো মানের কন্টেন্ট হলে ইজিলি ছাইট র‍্যাংক করবে। এছাড়াও আপনি যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বা কন্টেন্ট লিখবেন সে বিষয়ে খুটিনাটি সবকিছু সুন্দর ভাবে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।সুন্দর ও ইজি ভাষায় লিখবেন। (প্রয়োজনে হায়ার করতে পারেন)
২। এস ই ও।অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওয়েবসাইটের জন্য প্রতিনিয়ত এস ই ও করতেই হবে নয়তো কোনো ভাবেই র‍্যাংক এ আসবে না।
৩। ইন্সটল প্লাটফর্ম। আপনি যেই প্লাটফর্ম এ ছাইট ইন্সটল করেন না কেন সেটা সম্পর্কে আপনার পুরোপুরি যানা থাকা জরুরী। কেননা ওই প্লাটফর্ম এ নিওমিত কন্টেন্ট পাবলিক করতে হবে। অন পেজ এস ই ও করতে হবে।
৪। ডোমেইন + হোস্টিং। যদিও এটা এক নাম্বারে দেওয়ার দরকার ছিলো তবু্ও বলি আপনার ছাইট নির্ভর করবে একটি ডোমেইন হোস্টিং এর উপর সব সময় ডোমেইন ডড কম নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কেননা এই ডোমেইন দ্রুত র‍্যাংক করে।এবং ভালো মানের হোস্টিং নিতেই হবে নয়তো কিছুদিন পড় পড় ছাইট ডাউন হয়ে যাবে।প্রয়োজনে এক্সপার্ট কার কাছে হেল্প নিবেন।
৫। থিম। অবশ্যই ভালো মানের পেইড থিম ব্যবহার করবেন। ফ্রী থিমে ভাইরাস থাকে যামেলা করে এবং আপনি যেই রিলেটেড ছাইট তৈরি করবেন সেই রিলেটেড থিম ক্র‍য় করবেন।
৬। প্লাগিং। প্রয়োজনীয় প্লাগিং ইউজ করবেন বেশি প্লাগিং ইউজ করলে ছাইট স্লো হয়ে যায়।
৭। ছাইট স্পিড। সবসময় ছাইট স্পিডের দিকে গুরুত্ব দিবেন ভুলেও যেনো ওপেন টাইম চার সেকেন্ড এর বেশি সময় না লাগে। কিছুদিন পড় পড় স্পিড চেকার দিয়ে চেক করবেন।
৮। স্পামিং। কোনো প্রকার স্পামিং করা যাবে না যদি করেন তাহলে নির্চিত প্লান্টি। আর একবার যদি প্লান্টি খেয়েই যান তাহলে দিতীয় বারের মত ঐ ছাইট র‍্যাংক করা কষ্ট হয়ে যাবে। তারাহুরো করে কিছু করতে যাবেন না।ঠান্ডা মাঠায় সময় নিয়ে কাজ করবেন সবসময়।
৯। ব্যাকলিংক। যদিও এস ই ও পাঠের মধ্য এইটা তবু্ও আলাদা ভাবে বলি এটি করার সময় দেখেশুনে করবেন কোনো প্রকার এডাল ছাইটের সাথে ভুলেও করবেন না।ভালো মানের হাই পেজ র‍্যাংক ছাইটের সাথে লিংকেস করবেন। এতে দ্রুত ডোমেইন অথোরিটি বারবে।
১০। উপরোক্ত প্রতিটি বিষয় শহ অন্যান্য সকল বিষয়ের দিকে ভালোভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করলে খুবি আল্প সময়ে ভালো একটি রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে যেভাবে আয় করবেন

একটি কথা সবাই জানি কোন কিছু রানিং হয়ে গেলে তার আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় না।এর মানে আপনি ছাইট দার করালে আপনার ইনকামের আর অভাব হবে না।নিওমিত ভিজিটর আসলে অনেকেই স্পন্সর দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করবে।এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের এডনেটওয়ার্ক ব্যাবহার করে উপার্জন করতে পারবেন।যেমন ১। গুগল এডসেন্স ২। ইনফোলিংক ৩। পপুলার এড ৪। ক্লিকসেন্স ৫। চিতিকা ছাইট দার করার পর যা যা করতে হবে। ছাইট এতো কষ্ট করে দার করালেন এখন কি বসে বসে আয় করবেন ভাবসেন। হ্যা ভাবা টা ঠিক আছে কিন্তু টুকটাক নিওমিত অনেক কাজ করে যেতেই হবে। আগের তুলনায় কাজ অনেক কম করতে হবে। এখন কাজ থাকবে শুধু নিওমিত প্রতিটি কাজের রিপোর্ট দেখা, ছাইট আবার ডাউন হচ্ছে কিনা, কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা।কিছু কিছু নিওমিত ব্যাকলিংক তৈরি করা, মাঝে মাঝে কন্টেন্ট পাবলিক করা সহ কম্পিটিটর এর ছাইট ও চেক করা সে আবার আপনাকে টপকানোর চেষ্টা করছে কিনা বা সে কিভাবে কাজ করতেছে । এরকম সহ অনেক দিকই মাঝে মাঝে খেয়াল করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here