ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়!কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো

0
105

নতুন অনেকের মনে একটাই প্রস্ন ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়!কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো। আজকে পুরোটাই লিখবো এই বিষয় নিয়ে। আপনি একদম নতুন হিসেবে একটি সঠিক গাইড পেতে যাচ্ছেন।
প্রথমেই একটি উদাহরণ ধরুন আপনি একজন ব্যবসায়ী এখন আপনি কি সঠিকভাবে বলতে পারবেন আমি এই মাসে এত টাকা ইনকাম করবো। আমি জানি এটা কারো পক্ষেই সম্ভব না কারণ এক মাত্র আল্লাহ তালাই ভালো জানেন।রিজিকের মালিক আল্লাহ। তবে হ্যা আমরা একটা আইডিয়া করতে পারি যে ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়।বা ব্যবসা করে কত টাকা আয় করতে পারবো।

ব্লগিং টা আপনি কি হিসেবে নিবেন।

আমরা জানি যে কোন ব্যবসায় শুরু থেকেই লাভবান হওয়া যায় না। প্রথম দিকে প্রচুর পরিমান ইনভেস্ট এবং প্ররিচ্রম করতে হয়। এরপর সেটা দারাতে তিন থেকে ছয় মাস লেগে যায় কখনো কখনো এর চেয়েও বেশি সময় লাগে।তারপরেও অনেক খেত্রে লছের মুখও দেখতে হয়।একটা কথা আসে ব্যবসায় লাভ লছ থাকবেই। তবে হ্যা সঠিকভাবে চিন্তা ভাবনা করে শুরু করলে সেই বিজনেস এ লছ কমই হয়।আমি মনে করি ব্লগিং এটা আমার বিজনেস। আমাকে শুরুতেই এখনে ইনভেস্ট করতে হবে ভালো মানের ডোমেইন হোস্টিং, থিম থেকে শুরু করে আরটিকেল সহ অনেক প্রকার টুল ক্রয় করতে হবে। অনেকে আবার ব্লগিং এ ইনভেস্ট করতে ভয় পায়। এটাতো আমার প্রফেশনাল বিজনেস তাহলে এখানে ইনভেস্ট করতে এতো ভয় কিসের।প্রফেশনাল হিসেবে নিয়ে নিন দুই দিন আগে বা পড়ে এখান থেকে ইনকাম আসবেই।গুগল মামার রুলস মেনে সঠিক ভাবে কাজ করলে কোনো সময় আপনার লছ গুনতে হবে না।আরে ভাই রুলস তো প্রতিটি কাজেই রয়েছে সেম এখানেও তাহলে এখানে মেনে কাজ করলে ক্ষতি কি। এখানে তো আর অন্যর চোখে পরতেছে না বা বছের ঝারি সহ অন্যর কথাও শুনতে হচ্ছে না।সঠিক নিয়ম মেনে বিজনেস হিসেবে নিয়ে নিন আশা করি আগামীতে ভালো কিছু করতে পারবেন।

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়!

ব্লগিং এর আয়ের অনেক সিস্টেম আছে তাই এখানে সঠিক তথ্য দেওয়া মোটেও সম্ভব না।তবে কিছুটাও হলে আইডিয়া দিতে পারবো। ব্লগিং সম্পুর্ন হিসাব করে আপনার ভিজিটর এর উপরে এবং আপনি যেখানকার পাবলিশার অনুমোদন নিবেন তাদের নিয়ম অনুসারে। সুধু দুইটি কোম্পানিকে নিয়ে আলোচনা করবো এবং তাদের সাথে কাজ করে কি পরিমাণ আয় করা সম্ভব সেটার কিছুটা হলেও আইডিয়া দিবো।
১। গুগল এডসেন্স ( ভিজিটর এর ক্লিক এর উপর আয় নির্ভর)
২। এফিলিয়েট মার্কেটিং( প্রডাক্ট সেলের উপর কমিশন)
শুরুতেই গুগল এডসেন্স।এরা শতকরা ৬০% (কিছু কম বেশি) আপনাকে দিবে।ধরুন ১ ডলার আয় করলেন সেখান থেকে আপনাকে দিবে ০.৬০ সেন্ট।এখানে কথা হচ্ছে এই ১ ডলার ইনকাম করতে আপনার কি পরিমাণ ভিজিটর লাগবে।এডসেন্স এ ছিপিছি নামে একটা অপশন আছে সেটার উপর নির্ভর করে ধরুন আপনার সিপিসি রেট ০.৫০ সেন্ট এখন যদি আপনার ব্লগে দুইজন ভিজিটর এসে ২ টা এড এ ক্লিক করে তাহলে কিন্তু০.৫০ যোগ ০.৫০ সমান ১ ডলার হয়ে যাবে। এখানে আবার দেশ ও কিওয়ার্ড নিয়েও কিছু কথা আছে।এশিয়া মহাদেশের কিওয়ার্ড এর সিপিসি রেট একদম কম দেখা যায় বাংলাদেশী সাইট গুলোর বেশির ভাগ ছিপিছি রেট ০.০৫ হয়ে থাকে মানে এড এ প্রায় ১০ টি ক্লিক পরলে ১ ডলার জমা হয়।আবার দশটি ক্লিক এর জন্য কি পরিমাণ ভিজিটর লাগবে। কথা হচ্ছে কেউ কিন্তু ইচ্ছেকৃত ভাবে আপনার এড এ ক্লিক করবে না বেশিরভাগ খেত্রেই ভুল ক্রমে ক্লিক পড়ে।প্রটি ১০ থেকে ১৫ জন মানুষ ভিজিট করলে তাদের মধ্যে ভুলক্রমে ১ টি ক্লিক পরবেই আমরা সেখানে ২০ জন করে হিসাব করলাম তাহলে বাংলাদেশ থেকে যদিন প্রতিদিন ২০ জন করে আসে সেখান থেকে ক্লিক পরবে ১ টি আপনার ইনকাম হবে ০.০৫ সেন্ট। তাহলে যদি আপনার ব্লগে প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে ১০০ জন আন্তে পারেন তাহলে ইনকাম হবে ১ ডলার।আবার যদি প্রতিদিন ১০০০ জন আসে তাহলে প্রতিদিন হবে ১০ ডলার। ইউরোপ দেশ গুলো থেকে যদি প্রতিদিন এই ১ হাজার ভিজিটর আন্তে পারেন তাহলে এই ইনকাম দারাবে প্রতিদিন মিনিমাম ২৫ থেকে ৩০ ডলার কিছু কম বেশি। এক কথায় আপনার কিওয়ার্ড এর ছিপিছি ভেলুর উপর নির্ভর করবে।সব সময় ইউরোপ দেশ গুলোর কিওয়ার্ড ছি পি ছি রেট অনেক বেশি থাকে। এইজন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ শিখা টা অনেক জরুরী।
হাই ছিপিছি কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে আমি একটি আলাদা ভাবে আরটিকেল লিখবো ইন্সাল্লাহ আল্লাহ যদি হায়াত দান করেন। এবার এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কথায় আসি এটা কোনো ভিজিটর বা ছিপিছি রেট এর উপর নির্ভর করে না এটা সম্পুর্ন প্রডাক্ট সেল কমিশন এর উপর নির্ভর করে তবে এখানে টার্গেট কৃত অল্প ভিজিটর অন্তে পারলে হিউজ পরিমাণ উপার্জন করা সম্ভব। ধরুন একটা প্রডাক্ট রেট ১০০ ডলার এখন ঐ কোম্পানি বললো শতকরা ৮% কমিশন রেট তাহলে দিনে একটি সেল করতে পারলেই আপনি পাবেন ৮ ডলার। যদিন দিনে ১০ টা সেল করেন তাহলে আপনি পাবেন ৮০ ডলার। তবে এখানে লাভ বেশি কষ্ট ও তত বেশি।টার্গেট কৃত অল্প ভিজিটর এ ইউজ পরিমাণ সেল আনা সম্ভব হয় কিন্তু এই গুলোর কিওয়ার্ড র‍্যাংক করা অনেক কঠিন। এবং অনেক সময়ের ব্যাপার। আমি মনে করি আপনি একজন নতুন হিসেবে এফিলিয়েট মার্কেটিং এ না যাওয়াই ভালো। এখানে ইনভেস্ট ও এডসেন্স এর তুলনায় অনেক বেশি।বাকিটা সম্পুর্ন আপনার ইচ্ছে আপনি যদি নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে ভাবেন তাহলে যেতেই পারেন। ইনভেস্ট ও করতে পারেন তবে যেটাই করুন না কেন একটু ভেবে চিন্তে দেখবেন।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবো

এফিলিয়েট বা এডসেন্স যেটাই করেন না কেন প্রথমেই একটা সময় নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন পারে জেন আবার সিদ্ধান্ত না পাল্টায় তাহলে কিন্তু সব শেষ । তার পর কোন নিস নিয়ে কাজ করবেন সেটার উপর প্রচুর পরিমান রিসার্চ করবেন এবং সুন্দর ভাবে ছাইট রেডি করবেন। ভালো ভালো কিওয়ার্ড খুজে বের করবেন জেন সহজেই র‍্যাংক করাতে পারেন কঠিন কিওয়ার্ড নিয়ে নতুন অবস্থায় কোনো ভাবেই শুরু করবেন না এবং আপনার নিসের কম্পিটিশন ভালো ভাবে দেখে নিবেন। প্রয়োজনে ভালো কোন আইটি সেক্টর থেকে কোর্স করে নিবেন মনে রাখবেন এক্সপার্ট না হয়ে এই সেকশন গুলিতে ইনভেস্ট করা মানেই লছ। ভালো ভাবে না জেনে শুনে যদি ইনভেস্ট করেন তাহলে কোন প্রকার উপকারে আসবে না। না যেনে যে টাকা টা ব্যায় করবেন সেটা শিখার পিছনে ব্যায় করুন ভালো একটা কাজে দিবে। এখন অনেক সরকারি বেসরকারি আইটি সেক্টর আছে অতি অল্প খরজে সেগুলো থেকে কোর্স কম্পলিট করার সুযোগ পাবেন।তবে হ্যা কোর্স শুরু করার পুর্বে অবশ্যই ভালো ভাবে জেনে শুনে নিবেন কেমন শিখায় তারা নিজেরা সেই কাজের উপর দক্ষ কেমন। বির্তমানো অনেক আইটি আছে যে তারা নিজেরা শুধু কাজ শেখাই ই কিন্তু তারা কাজের সাথে জরিত নাই। তাদের কাছে শিখলে আপডেট কোন কিছু জানতে পারবেন না। অতএব, শিখে এক্সপার্ট হয়ে লেগে পড়ুন এই সেকশন থেকে আশা করছি ভালো একটা পজিশন পেয়ে জাবেন যে কোনো হেল্প লাগলে কমেন্ট করুন আশা করি সলফ করে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here